[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নালিতাবাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বন্ধ করলেন বিএনপির নেতা ও ব্যবসায়ীরা

প্রকাশঃ
অ+ অ-
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ব্যবসায়ীদের বাধায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে স্থগিত করে সরে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সোমবার বি‌কে‌লে শহ‌রের তারাগঞ্জ উত্তর বাজারে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

রোজার মধ্যে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে পড়েছে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট)। স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার উপস্থিতিতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অভিযান স্থগিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সোমবার বিকেলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান এবং নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান শহরের প্রধান সড়কের দুই পাশে রাখা ব্যবসায়ীদের মালামাল সরিয়ে নিতে অনুরোধ করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেলে মধ্যবাজার ও উত্তর বাজার এলাকায় সড়ক দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় রাস্তার ওপর রাখা মালামাল জব্দ করতে গেলে ব্যবসায়ীরা বাধা দেন।

একপর্যায়ে পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে এসে ব্যবসায়ীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং একই সঙ্গে অভিযান বন্ধ রাখার আহ্বান জানান। এ সময় উত্তেজিত ব্যবসায়ীরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীদের ওপর চড়াও হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান স্থগিত করে চলে যান।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে দোকানের মালামাল জব্দ করা হচ্ছিল এবং বাইরের স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে দোকানে ঢুকে মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা এক স্বেচ্ছাসেবীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

নালিতাবাড়ী ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার অধিকার প্রশাসনের আছে, আমরা তাকে সম্মান করি। কিন্তু বাইরের স্বেচ্ছাসেবীদের দিয়ে দোকানে ঢুকে মালামাল নেওয়ার সুযোগ নেই।’ এ বিষয়ে সাবেক পৌর মেয়র আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আদালতের নামে বারবার ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা হচ্ছে। খবর পেয়ে গিয়ে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করেছি। আমি না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারত।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান বলেন, ব্যবসায়ীদের প্রথমে সতর্ক করা হয়েছিল। আজ অভিযান চালাতে গেলে প্রশাসনের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং আদালতের কাছে কৈফিয়ত পর্যন্ত চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিন ঘটনাটিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নালিতাবাড়ী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান জানান, ব্যবসায়ীদের আগেই অনুরোধ করা হয়েছিল। আজকের ঘটনায় অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন