[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

রোজায় লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার, তবে কমেছে ডিমের দাম

প্রকাশঃ
অ+ অ-
সবজি বাজার | ফাইল ছবি

বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু হয়েছে। এর প্রভাবে মাছ, মাংস ও সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে। শুক্রবার পুরান ঢাকার কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ পণ্যের দামই চড়া।

পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি হালি লেবু ১০০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা, ধনে পাতা ৮০ টাকা ও বেগুন ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শসা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, পাকা টমেটো ৬০ টাকা এবং কাঁচা টমেটো ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

অন্যান্য সবজির মধ্যে প্রতি কেজি কাঁচা পেঁপে ৪০ টাকা ও শিম ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিটি বাঁধাকপি ৪০ টাকা ও ফুলকপি ৫০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আদার কেজি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা।

তবে বাজারের চেয়ে ফুটপাতে লেবুর দামে বড় পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। বাজারে যে লেবুর হালি ১০০ টাকা, ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালত সংলগ্ন ফুটপাতে তা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেখানকার এক নারী বিক্রেতা জানান, তিনি কারওয়ান বাজার বা শ্যামবাজার থেকে লেবু সংগ্রহ করেন এবং অল্প লাভে বিক্রি করেন। নারিন্দা বাজারের সবজি বিক্রেতা সালামের মতে, কয়েকটি সবজি ছাড়া বাকিগুলোর দাম খুব একটা বাড়েনি। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন তিনি।

রায়সাহেব বাজারে কক মুরগি ৩৪০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৮০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতা খলিল জানান, রোজার কারণে চাহিদা বাড়ায় দাম বেড়েছে। আগে যে কক মুরগি ২৮০ টাকায় বিক্রি হতো, তা এখন ৩৪০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারেও দাম বাড়াতে হয়েছে।

এদিকে মুরগির দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। মেসে থেকে পড়াশোনা করা এক শিক্ষার্থী জানান, হিসাব করে চলতে হয় বলে হুট করে দাম বেড়ে গেলে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

মাংশের বাজারে দেখা গেছে, গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস বিক্রেতারা জানান, দাম আগের মতোই আছে। তবে অন্য কিছু বাজারে এটি ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে গরুর মাংস বিক্রেতারা জানান, আগে ৮৫০ টাকায় বিক্রি করলেও এখন ৫০ টাকা কমিয়ে ৮০০ টাকায় বিক্রি করছেন তারা।

মাছের বাজারে ছোট ইলিশ ৬৫০ টাকা, মাঝারি ৮৫০ টাকা এবং বড় ইলিশ ১ হাজার ৫৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২২০ টাকা, ছোট রুই ২৮০ টাকা, বড় রুই ৩৫০ টাকা এবং পাঙাশ মাছ আকারভেদে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

তবে স্বস্তির খবর মিলেছে ডিমের বাজারে। খামারের লাল ডিম ৪০ টাকা এবং সাদা ডিম ৩৫ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা ছিল। বিক্রেতারা জানান, প্রতি বছর রমজানে ডিমের দাম কিছুটা কম থাকে। বাজারে ডিম কিনতে আসা এক ক্রেতা জানান, কয়েক দিন আগেও ১০ টাকা বেশি দিয়ে ডিম কিনেছেন। দাম কমায় সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন