[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

প্রচারণা শেষে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর

প্রকাশঃ
অ+ অ-
প্রচারণা শেষে ভোটের আগমুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন বাগেরহাট-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খায়রুজ্জামান (শিপন)। মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

ভোটের আগমুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা কাজী খায়রুজ্জামান (শিপন)। তফসিলে ঘোষিত প্রচারণার সময় শেষ হওয়ার পর দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

কাজী খায়রুজ্জামান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। কিন্তু যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হলে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। পরে মনোনয়ন ফিরে পেয়ে ‘হরিণ’ প্রতীকে প্রচারণায় নামেন।

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ২১ জানুয়ারি খায়রুজ্জামানকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। বিএনপির নেতা-কর্মী ও স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রচারণায় সক্রিয় থাকলেও ভোটারদের নজর যথেষ্ট আকর্ষণ করতে পারেননি।

সংবাদ সম্মেলনে খায়রুজ্জামান বলেন, ‘আমার নিজের ও কর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা আছে। নির্বাচনের জন্য এখনো সমান সুযোগ-সুবিধার পরিবেশ তৈরি হয়নি। বিদেশি নম্বর থেকে আমার কর্মী ও আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। এই পরিস্থিতিতে আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।’

বাগেরহাট-৪ আসনে খায়রুজ্জামান ছাড়াও বিএনপি থেকে সোমনাথ দে, জামায়াতের মো. আবদুল আলীম, ইসলামী আন্দোলনের মো. ওমর ফারুক, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আ. লতিফ খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, আসনটিতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন