দুপুরে গ্রেপ্তার হিরো আলম সন্ধ্যায় পেলেন জামিন
| আশরাফুল হোসেন আলম হিরো আলম | ফাইল ছবি |
রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিবুল হাসান আজ শনিবার সন্ধ্যায় এই আদেশ দেন।
এর আগে দুপুরে গ্রেপ্তার করা হয় হিরো আলমকে। তাঁকে বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে হাতিরঝিল থানা থেকে ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। কিছুক্ষণ পর পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় তাঁকে সিএমএম আদালতের ৯ তলার এজলাসে নেওয়া হয়।
হিরো আলমের পক্ষের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক ২০০ টাকা মুচলেকায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
এদিকে শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার বাদী রিয়া মনি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “হিরো আলমের একটা শিক্ষা হওয়া দরকার। আমাকে যেমন বিনা কারণে জেল খাটিয়েছে, তারও জেলে থাকা উচিত।”
এর আগে শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন এলাকা থেকে সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির করা মামলায় হিরো আলমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামানের আদালত ১২ নভেম্বর হিরো আলম ও তাঁর সহযোগী আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সেই পরোয়ানা অনুসারেই হিরো আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ২৩ জুন হাতিরঝিল থানায় রিয়া মনি বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি হিরো আলম ও বাদীর মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়। এরপর হিরো আলম বাদীকে তালাক দিয়ে বাসা থেকে বের করে দেন। গত ২১ জুন বাদীর পরিবারের সঙ্গে মীমাংসার কথা বলে হাতিরঝিল থানাধীন এলাকার একটি বাসায় ডাকা হয়। তখন হিরো আলমসহ ১০ থেকে ১২ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাদী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে তাঁরা বাদীর বর্তমান বাসায় বেআইনিভাবে ঢুকে কাঠের লাঠি দিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে বাদীর শরীরে জখম হয়। এ সময় বাদীর গলায় থাকা দেড় ভরি ওজনের স্বর্ণের হার চুরি করে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
Comments
Comments