[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

চাকসু নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে আজ, ভোটার টানতে প্রার্থীরা ব্যস্ত

প্রকাশঃ
অ+ অ-
শিক্ষার্থীদের হাতে প্রার্থীদের প্রচারপত্র তুলে দেওয়া হচ্ছে। আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সামনে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আজ সোমবার শেষ হচ্ছে। প্রচারণার শেষ দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ, হল-কটেজ ও ঝুপড়িতে প্রার্থীরা ভোটার টানতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আগামী বুধবার চাকসু ও হল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থীরা আজ রাত ১২টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন।

সকালে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রার্থীরা শিক্ষার্থীদের হাতে প্রচারপত্র তুলে নিজেদের পক্ষে ভোট চাইছেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করতেও দেখা গেছে তাঁদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের দোকানপাট ও ঝুপড়িতেও চাকসু নির্বাচন নিয়ে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে তর্ক-বিতর্কে সময় কাটাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে ভোটের ব্যালট বাক্স। আজ সকালে তোলা | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন 

 বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাওল হলে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন হল সংসদের ভিপি প্রার্থী রাকিবুল বশর। তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে আমি কী কী করব তা ভোটারদের কাছে তুলে ধরছি। ভোটারদের জানিয়েছি, নির্বাচিত হলে হলে খাবারের মানোন্নয়ন, মাঠ সংস্কার, ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি আসন বরাদ্দে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করব। শিক্ষার্থীরা ভালোই সাড়া দিচ্ছে। তারা চান, ভোটের পরও প্রার্থীরা তাঁদের পাশে থাকবেন।’

অতীশ দীপঙ্কর হলে নবদিগন্ত প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী বিপুল চাকমা জানান, ‘আবাসিক শিক্ষার্থীদের কক্ষে গিয়ে এবং অনাবাসিকদের সঙ্গে বিভাগে যোগাযোগ করছি।’

শাহ আমানত হলে নাইমুর রশিদ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘প্রার্থীরা কিছু সময় পরপর হলে এসে ভোট চাচ্ছেন। একই সঙ্গে নানা প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছেন। আমরা নানা বিষয়ে তাঁদের পরিকল্পনা জানতে চাইছি।’

শহীদ ফরহাদ হোসেন হলের শিক্ষার্থী আহমেদ রাসেল বলেন, ‘প্রার্থীরা পানি ও খাবারের মানোন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে হলে অনেক শিক্ষার্থী থাকায় সবার কাছে কোনো প্রার্থীই পৌঁছাতে পারেননি।’ প্রার্থী ও প্যানেলের পক্ষে হলে কক্ষে প্রচারণার পাশাপাশি প্রজেকশন মিটিংও করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অতীশ দীপঙ্কর হলের শিক্ষার্থী অনুরূপ চাকমা।

প্রীতিলতা হলে ‘সম্প্রীতি’ প্যানেলের নির্বাহী সদস্য পদে প্রার্থী নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী এরিনা চাকমা বলেন, ‘প্রচারণার শেষ দিন, তাই প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছি। আমরা সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে প্যানেল করেছি। জয়ী হই বা না হই, শিক্ষার্থীদের পাশে থাকব।’

প্রীতিলতা হলের শিক্ষার্থী ও আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী আইদি হোসেন বলেন, ‘প্রার্থীরা কক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন, একই সঙ্গে অনলাইনেও প্রচারণা হচ্ছে। ভোটের পরও প্রার্থীরা শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবেন, এটিই আমাদের চাওয়া।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ চাকসু নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালে। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আগামী বুধবার আবার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এবার মোট ভোটার প্রায় ২৭ হাজার, যার মধ্যে ছাত্রী প্রায় সাড়ে ১১ হাজার।

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন