{getBlock} $results={3} $label={ছবি} $type={headermagazine}

বিচারকের বাসায় ঘুষ পাঠিয়ে পদ হারালেন জামায়াতের পি‌পি

প্রকাশঃ
অ+ অ-

রুহুল আমিন সিকদার | ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীতে এক বিচারকের বাসায় টাকার পাঠানোর অভিযোগ ওঠার পর নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) রুহুল আমিন সিকদারের জামায়াতে ইসলামীর দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দলটির পটুয়াখালী জেলা শাখার সেক্রেটারি শহীদুল ইসলাম আল কায়সারীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

রুহুল আমিন সিকদার জেলা আইনজীবী সমিতির জামায়াত ইউনিটের সদস্য ছিলেন। অভিযোগ ওঠার পর জেলা আইনজীবী সমিতিও তাঁর সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত করে।

এর আগে গত বুধবার পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (সিনিয়র জেলা জজ) নীলুফার শিরিন পিপি রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ সাধার’ অভিযোগ আনেন। ঢাকার বার কাউন্সিলের সচিবের কাছে পাঠানো চিঠিতে তিনি এ অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগে বিচারক বলেন, বুধবার সকাল ৯টার দিকে তাঁর বাসার গৃহকর্মীর কাছে একটি লাল ব্যাগ দিয়ে যান সরকারি কৌঁসুলি রুহুল আমিনের একজন লোক। ওই ব্যক্তি ব্যাগটি তাঁকে (বিচারক) দিতে বলে যান। ব্যাগটি খোলার পর ভেতরে দুটি খাকি রঙের খাম পাওয়া যায়। একটিতে একটি মামলার যাবতীয় কাগজপত্র, অন্য খামে ৫০০ টাকার নোটের একটি বান্ডিল। তিনি টাকা গুনে দেখেননি। তবে অনুমানের ভিত্তিতে বোঝা যায়, এতে ৫০ হাজার টাকা আছে।

এ অভিযোগ ওঠার পর জামায়াত পিপির দলীয় পদ স্থগিত করে। জেলা জামায়াতের এ–সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রুহুল আমিনের সদস্যপদ স্থগিত করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জামায়াতে ইসলামী। তদন্ত কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অবশ্য বিচারকের বাসায় টাকা পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পিপি রুহুল আমিন।

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন