পদ্মা ট্রিবিউন | বাংলা নিউজ পেপার
বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও

লালপুরে হিন্দু পরিবারের বাড়িতে চাঁদা দাবির হুমকিপত্র

প্রতিনিধি নাটোর
শনিবার রাতে নাটোরের লালপুরের বাকনাই গ্রামের নারায়ণ কুমার পালের বাড়ির বারান্দায় এই চিঠি রেখে যায় দুর্বৃত্তরা
শনিবার রাতে নাটোরের লালপুরের বাকনাই গ্রামের নারায়ণ কুমার পালের বাড়ির বারান্দায় এই চিঠি রেখে যায় দুর্বৃত্তরা | ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের লালপুরে কয়েকটি হিন্দু পরিবারের কাছে চাঁদা দাবি করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ২০ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করে দুর্বৃত্তরা একটি হুমকিপত্র রেখে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ না করলে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।


এ ঘটনায় উপজেলার লালপুর ইউনিয়নের বাকনাই পালপাড়া গ্রামের হিন্দু পরিবারগুলোর মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে দুর্বৃত্তরা ওই গ্রামের বাসিন্দা বৈদ্যনাথ পালের ছেলে নারায়ণ কুমার পালের বাড়ির বারান্দায় একটি চিঠি রেখে যায়। পরে নারায়ণ কুমার পালের ছেলে অরুণ কুমার পাল চিঠিটি দেখতে পান। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


অভিযোগ অনুযায়ী, চিঠিতে পালপাড়ার প্রতিটি হিন্দু পরিবারকে বিকাশের মাধ্যমে ২০ হাজার টাকা করে একটি নির্দিষ্ট নম্বরে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাকা না দিলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্যও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।


ঘটনার পর থেকে পালপাড়ার বাসিন্দারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হলে মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া আতঙ্ক কমবে।


খবর পেয়ে লালপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চিঠিটি আলামত হিসেবে উদ্ধার (জব্দ) করেছে। এ ঘটনায় চিঠির উৎস ও এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। এর উৎস অনুসন্ধান করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

How did this article make you feel?

0 Comments

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment

Moderated — may take a moment.