[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

মোটরসাইকেলে হেলমেট নিয়ে বিরোধ, গুলিতে একই পরিবারের ১৩ জন আহত

প্রকাশঃ
অ+ অ-
গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের পুলিশি নিরাপত্তায় হাসপাতালে আনা হয়। গতকাল রোববার রাত ১২টার পর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় কথা-কাটাকাটির জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ১৪ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৩ জনই গুলিবিদ্ধ। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার রুদ্রপাড়া গ্রামে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন—মিজান খান, তাঁর বাবা খোরশেদ খান, মা মিনু বেগম, চাচা ইদ্রিস খান, ফুপু জয়তন বেগম ও শাফি বেগম, ফুফাতো বোন ফাহিমা, ভাবি কাজল বেগম, নুপুর আক্তার ও বর্ণা আক্তার এবং ভাতিজা আয়ান ও মোস্তাকিন, ভাতিজি দোলন ও ইভা আক্তার। আহতদের মধ্যে মিজান ছাড়া বাকি ১৩ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাতে হেলমেট পরে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন মিজান খান। এ সময় প্রতিবেশী হারুন খান ও মান্নান খান তাঁকে রাতে হেলমেট পরে বাইক চালাতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হারুন ও তাঁর সহযোগীরা মিজানকে মারধর করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় মিজান বাড়িতে ফিরে পরিবারকে বিষয়টি জানান।

ছেলের অবস্থা দেখে বাবা খোরশেদ খান ক্ষুব্ধ হয়ে হারুন ও মান্নানকে গালিগালাজ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণ পর হারুন ও মান্নান ১০-১৫ জন সহযোগী নিয়ে মিজানদের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় শটগান দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে বাড়িতে থাকা নারী-শিশুসহ অন্তত ১৩ জন গুলিবিদ্ধ হন।

শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শংকর কুমার পাল আজ সোমবার সকালে জানান, রাত ১২টার পর ১৪ জন চিকিৎসা নিতে আসেন, যাঁদের মধ্যে ১৩ জনের শরীরে গুলির চিহ্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

আহত রফিকুল খানের অভিযোগ, হারুন ও মান্নান এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাঁরা পুলিশ ভেবে ভয় পান বলে এলাকায় কাউকে হেলমেট পরে মোটরসাইকেল চালাতে দেন না। এমনকি হামলার পর আহতরা কাতরালেও তাঁদের হাসপাতালে নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। রাত ১২টার দিকে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুয়েল মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত হারুন, মান্নান ও মহসিনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বৈধ একনলা বন্দুক ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন