[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের নিয়ে ভারতের কাছে কনস্যুলার সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে | ছবি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ওরফে মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনের বিষয়ে ভারতের কাছে তথ্য ও কনস্যুলার সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ। শনিবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকা বনগাঁ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় পুলিশ।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সোমবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জানান, গ্রেপ্তার দুই আসামির বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কলকাতায় বাংলাদেশের মিশনের মাধ্যমে রোববারই কনস্যুলার সুবিধার আবেদন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি দ্রুতই সাড়া পাব, এরপর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, তাদের বিচারে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।

শরীফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। গত বছর ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা অবস্থায় তাঁকে গুলি করা হয়। মাথায় গুলি লাগার পর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম সরাসরি গুলি চালান এবং তাঁকে সহযোগিতা করেন যুবলীগ কর্মী আলমগীর হোসেন। মূলত ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) পরিকল্পনা অনুযায়ী এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। হত্যার পর অভিযুক্তরা ভারতে পালিয়ে যান।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ শাখা (এসটিএফ) জানায়, ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেন মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার পর তাঁরা বনগাঁ এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সুযোগ বুঝে আবারও বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।

এদিকে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক পর্যায়ে কাজ শুরু হয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন