[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বাগেরহাটে ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণ উধাওয়ের অভিযোগ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
লকার থেকে স্বর্ণালংকার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরতাট শহরের খানজাহান আলী সড়কে পূবালী ব্যাংকের শাখায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন   

বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকারে রাখা প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন এক গ্রাহক। এই ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সুমন কুমার দাস নামের ওই গ্রাহক।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের খানজাহান আলী সড়কে পূবালী ব্যাংকের ওই শাখায় গিয়ে দেখা যায়, সিআইডি, জেলা পুলিশ ও পিবিআই কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। সেখানে তাঁরা কয়েক ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন।

এই বিষয়ে পূবালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মনিরুল আমিন বলেন, ‘লকার খুলতে দুটি চাবি লাগে। এর একটি থাকে গ্রাহকের কাছে, অন্যটি ব্যাংকের কাছে। অভিযোগকারী গ্রাহকের চাবিটি তাঁর কাছেই ছিল, যা ছাড়া লকার খোলা সম্ভব নয়। সেখানে তিনি কী রেখেছিলেন, তার কোনো ঘোষণাও ব্যাংকে ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলেই পুরো ঘটনা জানা যাবে।’

গ্রাহক সুমন কুমার দাসের লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর পূবালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখার লকারে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার রাখা হয়। পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকায় গত বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকার খুলে তিনি দেখেন সেটি ফাঁকা। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্মকর্তা ও পুলিশকে জানান।

এদিকে লকার থেকে গ্রাহকের মালামাল খোয়া যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে অন্য গ্রাহকরাও আতঙ্কে ব্যাংকে ছুটে আসেন। তাঁরা নিজেদের লকার খুলে পরীক্ষা করে দেখেন। শহরের নাগের বাজার ও আমলাপাড়া এলাকার দুজন গ্রাহক জানান, স্বর্ণ গায়েব হওয়ার খবর শুনে তাঁরা এসেছিলেন। তবে তাঁদের লকারে রাখা স্বর্ণালংকার ঠিক আছে।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শামীম হোসেন বলেন, ‘লকার থেকে স্বর্ণালংকার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে সব পরিষ্কার হবে।’

উল্লেখ্য, এই ঘটনার দুই দিন আগে একই ভবনে থাকা ‘নগদ’ ডিস্ট্রিবিউশন হাউস থেকে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন প্রতিষ্ঠানটির হিসাবরক্ষক মো. মনিরুজ্জামান। ওই ঘটনায় বুধবার বাগেরহাট সদর মডেল থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মনিরুজ্জামানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন