[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ইসি তড়িঘড়ি গেজেট প্রকাশ করে হাত মুছে নিয়েছে: বদিউল আলম মজুমদার

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য উপস্থাপন করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুজন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন   

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অযোগ্য প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিষয়টি তদন্ত করেনি। তারা তাড়াহুড়ো করে গভীর রাতে গেজেট প্রকাশ করে নিজেদের দায়িত্ব শেষ করেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বদিউল আলম মজুমদার এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যদের তথ্য তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুজন।

বদিউল আলম মজুমদার মনে করেন, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অযোগ্য ব্যক্তিরা যদি প্রার্থী হন, তবে ভোটের ফলের সমীকরণ বদলে যায়। তখন নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি বলেন, যখন এ ধরনের প্রশ্ন ওঠে, তখন নির্বাচন কমিশন তদন্ত করতে পারে। তদন্তের মাধ্যমে তারা ফল বাতিল করা বা নতুন করে নির্বাচনের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এই নির্বাচনেও এমন প্রশ্ন উঠলেও ইসি তদন্ত করেনি; বরং দ্রুত গেজেট প্রকাশ করেছে।

সুজন সম্পাদক জানান, নির্বাচনের আগে অনেকের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগ ছিল। তারা আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, অনেকে দ্বৈত নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এসব বিষয়ে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই গেজেট প্রকাশ করতে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছিল। এমনকি ভোটের পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করারও সুপারিশ করা হয়েছিল। কিন্তু কমিশন এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেনি।

তবে এখনো প্রতিকারের সুযোগ আছে বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, আরপিও-র ৯১ ধারায় বলা হয়েছে, যদি হলফনামা বা অন্য কোনো অভিযোগ ওঠে, তবে গেজেট প্রকাশের পরও তা তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন। তারা চাইলে নির্বাচন বাতিলও করতে পারে।

সুজনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জনের মধ্যে ১৪৭ জনই ঋণগ্রহীতা, যা শতাংশের হিসাবে প্রায় ৫০ শতাংশ। তাঁদের মধ্যে ৫ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন ৩৬ জন। আর ১২৬ জনই বিএনপি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনে ঋণগ্রহীতা প্রার্থীর হার বেড়েছে। গত নির্বাচনে এই হার ছিল ৪৫ শতাংশ।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন