পদ্মা ট্রিবিউন | বাংলা নিউজ পেপার
বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও

স্কুলের জমি দখল করে রাস্তা তৈরির অভিযোগ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে

তবে জমি দখলের এই অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান কাফি দাবি করেছেন, তিনি প্রকৃত মালিকদের কাছ থেকে জমি কিনে সেখানে রাস্তা তৈরি করছেন।

প্রতিনিধি পটুয়াখালী
কাফি
কাফি | ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমি দখল করে জোরপূর্বক রাস্তা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ কাজে বাধা দেওয়ায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।


তবে জমি দখলের এই অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান কাফি দাবি করেছেন, তিনি প্রকৃত মালিকদের কাছ থেকে জমি কিনে সেখানে রাস্তা তৈরি করছেন।


বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৫৪ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে এবং ব্যাংকের নিলাম থেকে সব মিলিয়ে ৪০ একর ৬৪ শতাংশ জমি কেনে স্কুলটি। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি সরকারি হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী এই জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২১ একর ৭৬ শতাংশ জমির খাজনা বাংলা ১৪৩২ সাল পর্যন্ত পরিশোধ করা আছে।


অভিযোগ উঠেছে, গত সপ্তাহে বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন সিক্স লেন (ছয় লেন) সড়কের উত্তর পাশের ৬ শতাংশ জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করেন নুরুজ্জামান কাফি। স্থানীয়দের দাবি, পাশের নিজের জমিতে যাতায়াতের পথ না থাকায় জোর করে স্কুলের জমিতে এই রাস্তা তৈরি করেছেন তিনি।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম বলেন, স্কুলের জমি দখল করে রাস্তা বানানোর খবর পেয়ে আমি কাজ বন্ধ করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে আমাকে বাধার মুখে পড়তে হয় এবং মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। তিনি বিদ্যালয়ের এই জমি উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।


এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নুরুজ্জামান কাফি বলেন, জমিটি স্কুলের দখলে ছিল এবং সবাই এটিকে স্কুলের জমি হিসেবেই চেনে। আমার পেছনের জমিতে যাওয়ার পথ না থাকায় আমি প্রধান শিক্ষকের কাছে এই জমিটি কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি জানান, এটি সরকারি জমি হওয়ায় তাঁর বিক্রির সুযোগ নেই।


কাফি আরও দাবি করেন, পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন মোবারক পঞ্চায়েতের ওয়ারিশরা উচ্চ আদালত থেকে এই জমির মালিকানার পক্ষে রায় পেয়েছেন। এরপর তিনি তাঁদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে কেনেন এবং তাঁরাই জমিটি তাঁকে বুঝিয়ে দেন। তিনি বলেন, আমি স্কুলের জমি দখল করিনি। আসল মালিকের কাছ থেকে জমি কিনেই রাস্তা বানিয়েছি। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করতে স্কুল কর্তৃপক্ষ মিথ্যা ছড়াচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

How did this article make you feel?

Related Articles

0 Comments

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment

Moderated — may take a moment.