[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

জাতীয় স্বার্থ পই পই করে বুঝে নেব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

প্রকাশঃ
অ+ অ-
বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথমবার কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন    

নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য হবে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা সবার আগে বাংলাদেশ। দেশের স্বার্থ পুরোপুরি রক্ষা করেই সব কূটনৈতিক কার্যক্রম চালানো হবে এবং জাতীয় স্বার্থ পই পই করে বুঝে নেওয়া হবে।

গত বুধবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রথমবার কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

খলিলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিভিন্ন বক্তব্যে বারবার একটি কথাই বলেছেন—সবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের নীতির লক্ষ্যও হবে সেটিই। সার্বভৌমত্ব, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, কারও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, জাতীয় মর্যাদা এবং পারস্পরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের মূলনীতি। পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ডে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা আমাদের জন্য ‘রেডলাইন’ বা চূড়ান্ত সীমানা।

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে ফিরে যাবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারে আমরা সেই চেষ্টাই করেছি। তিনি জিয়াউর রহমানের শাসনামলের তিনটি সাহসী পদক্ষেপের কথা স্মরণ করেন। সেগুলো হলো—জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ, সার্ক প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় আল কুদস কমিটিতে বাংলাদেশের জোরালো ভূমিকা।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের বিষয়ে জানতে চাইলে খলিলুর রহমান বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে মিয়ানমারের ওপর তাঁর যে নজর ছিল, তা কমবে না বরং আরও বাড়বে। সমস্যা সমাধানে মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা হবে।

আগের সরকারে নির্বাচন কমিশনারের (রেফারি) দায়িত্বে থেকে এবার নতুন সরকারে যোগ দেওয়া এবং ‘স্বার্থের সংঘাত’ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেকে নির্বাচনের ফল কারচুপির কথা বলছেন। তার মানে ভোট গণনা ঠিক হয়নি, এটাই তো? তাহলে আরেকবার গুনে নিন, গুনতে তো কোনো সমস্যা নেই।

বিএনপি নির্বাচনের আগে বেশ কয়েকজন উপদেষ্টাকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছিল, যার মধ্যে খলিলুর রহমানের নামও ছিল। এই মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি তো জোর করে আসিনি। কারো সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকতেই পারে, যা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তনও হয়।

গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনাদের বন্ধু মনে করি এবং যোগাযোগ বজায় রাখব। আমাদের কাজের ওপর দেশের মানুষ নির্ভর করে, আর আপনারা সেই বার্তার বাহক। পররাষ্ট্রনীতি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। একটি কথা এদিক-সেদিক হলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই আপনাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। আমাদেরও জবাবদিহির বিষয় রয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন