পদ্মা ট্রিবিউন | বাংলা নিউজ পেপার
বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও
Home / বাংলাদেশ / কুমারখালী পৌর ভবনে যুবলীগ নেতার ভাইকে কুপিয়ে জখম
বাংলাদেশ

কুমারখালী পৌর ভবনে যুবলীগ নেতার ভাইকে কুপিয়ে জখম

প্রতিনিধি কুষ্টিয়া

প্রতিনিধি কুষ্টিয়া

1 min · 0 words · 47
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জখম হওয়া যুবককে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে। ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জখম হওয়া যুবককে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে। ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার কার্যালয়ের ভেতরে শফিকুল ইসলাম (৪০) নামের এক যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


শফিকুল ইসলাম কুমারখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শেরকান্দি গ্রামের মসলেম উদ্দিনের ছেলে। তিনি একই ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এস এম রফিকের ছোট ভাই। রফিক উপজেলা যুবলীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি।


হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শফিকুল সাংবাদিকদের বলেন, সকালে তিনি পৌরসভা কার্যালয় এলাকায় ছিলেন। বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা নয়ন ও তাঁর ছেলে আফ্রিদিসহ সাত-আটজন সেখানে আসেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা তাঁকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।


শফিকুলের মা রিজিয়া খাতুন বলেন, ‘সকালে খাবার খেয়ে ছেলে পৌরসভার সামনে গিয়েছিল। তখন দুর্গাপুরের নয়নরা হামলা করলে সে দৌড়ে পৌর ভবনের ভেতরে চলে যায়। সেখানেই তাকে কুপিয়েছে। তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা জানি না।’


can ঘটনার পর পৌরসভা কার্যালয় চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, মেঝে ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষের সামনে রক্ত ছড়িয়ে–ছিটিয়ে আছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


কুমারখালী পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহমুদ রেজা বলেন, ‘ধুপধাপ শব্দ শুনে বাইরে এসে দেখি, লুঙ্গি পরা একজনকে কয়েকজন মারধর করছেন। আমি মাত্র এখানে যোগ দিয়েছি, কাউকে চিনি না।’


স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত শফিকুলকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নয়ন হোসেন পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাপুর গ্রামের মাহমুদুর রহমানের ছেলে।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নয়ন হোসেন মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। শফিকুল একজন সন্ত্রাসী। তিনি অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করেন এবং মাদক বিক্রি করেন। পৌরসভায় গিয়ে মানুষকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিলেন। হয়তো স্থানীয় লোকজন তাঁকে ধরে মারধর করেছে।’


কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আহত ব্যক্তি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share: Twitter Facebook

How did this article make you feel?

Related Articles

0 Comments

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment

Moderated — may take a moment.